নেত্রকোনা

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ,আহত ২৩

(পলাশ পাল, জেলা প্রতিনিধি)
নেত্রকোনার মদন উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আজ ২৭শে ডিসেম্বর শনিবার সকালের দিকে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।এতে নারী শিশু সহ প্রায় ২৩ জন আহত এর খবর পাওয়া গেছে। উপজেলার মদন সদর ইউনিয়নের ধনপুর গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আহতদের মধ্যে মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে – শামীম মিয়া, জোসনা আক্তার, সাইফুল ইসলাম, মমতা আক্তার, শামসুদ্দিন, আনোয়ার হোসেন,তাজুল হক, সাদ্দাম হোসেন, বিউটি আক্তার,দুলাল মিয়া, বিপুল মিয়া, রুবিনা আক্তার, সায়মা আক্তার, তাইজুল, আব্দুল্লাহ, সাইফুলকে।
তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় এ হতাহতের ঘটনায় কমপ্লেক্সে ভর্তিকৃত অন্যান্য আহতদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। তারা হলেন- চান মিয়া, আমিরুল ইসলাম, শফিউল্লাহ, জসীম মিয়া ও হুমায়ূন কবীর। তবে তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুব দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধনপুর গ্রামের মতিউর রহমানের লোকজনের সঙ্গে একই গ্রামের তাইজুল ইসলামের লোকজনের জমিসংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। গত এক মাস পূর্বেও এই বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে থানায় উভয় পক্ষের একাধিক মামলা রয়েছে। শনিবার সকালে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই পক্ষ আবারো দেশীয় ও আঞ্চলিক অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে উভয় পক্ষের ২৩জন আহত হয়েছে।
মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক নয়ন ঘোষ আহতদের ভর্তি এবং চিকিৎসার সত্যতা স্বীকার করে জানান জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৩ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) দেবাংশু কুমার জানান, ধনপুর গ্রামে জমিসংক্রান্ত বিরোধে কয়েকদিন আগেও সংঘর্ষ হয়েছে। আগের ঘটনায় মামলা এখনো চলমান। সকালে আবারো সংঘর্ষের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে খুব দ্রুতই পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *