জেলার খবরনেত্রকোনা

কেন্দুয়ায় কিন্ডারগার্টেন আঞ্চলিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

আমিরুল ইসলামঃ বি‌শেষ প্রতি‌নি‌ধি

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় কিন্ডারগার্টেন এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে রামপুর এলাকায় আঞ্চলিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত রামপুর আনোয়ারা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্লে থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৪টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২১০ জন, যার মধ্যে একজন অনুপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—আল নূর কিন্ডারগার্টেন,উলুয়াটি আদর্শ কিন্ডারগার্টেন,রাজঘাট ইসলামিক কিন্ডারগার্টেন এবং নতুন কুড়ি কিন্ডারগার্টেন।

পরীক্ষা পরিচালনায় সহযোগিতা করেন
গোপালপুর মডেল কলেজের অধ্যক্ষ মিল্টন কর,রামপুর আনোয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সাধন চন্দ্র সরকার,জল্লী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আবুল খায়ের,রওশন ইজদানী একাডেমির সিনিয়র শিক্ষক আমিরুল ইসলাম তালুকদার,সপ্রাবি’র শিক্ষক আব্দুল খালেক হিরণ,শিক্ষক আকলিমা আক্তার,সাংবাদিক মাজহারুল ইসলাম ভুঁইয়া,সাংবাদিক কাউসার তালুকদার,রামপুর বাজার এমএসআই কোচিং সেন্টারের পরিচালক মেহেদি হাসান খোকাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকন এবং সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির। পরীক্ষার দায়িত্বে ছিলেন রামপুর আনোয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব ফেরদৌস আক্তার খানম, আঞ্চলিক বৃত্তি পরীক্ষার সভাপতি ও আল নূর কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক আবু সুয়েম ভূঁইয়া, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও নতুন কুড়ি কিন্ডারগার্টেনের পরিচালক মেজবা উদ্যোজা, হল সুপার ও রাজঘাট ইসলামিক কিন্ডারগার্টেনের প্রধান শিক্ষক মাহি হাসান মাসুদ এবং সহকারী হল সুপার মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী।

পরিদর্শন শেষে ফাউন্ডেশনের সভাপতি জসিম উদ্দিন আহমেদ খোকন বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে বৃত্তি পরীক্ষার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের মনোযোগ,আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। আমরা চাই উপজেলার প্রতিটি শিক্ষার্থী সমান সুযোগ পাক এবং নিজেদের যোগ্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে এগিয়ে আসুক। তাই ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর পরিসরে এই বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজন করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “অভিভাবক, শিক্ষক এবং প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় থাকলে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি আরও মজবুত হবে। আমাদের লক্ষ্য পুরো উপজেলায় এই পরীক্ষাকে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়া।”

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *