সর্বশেষ

অনিয়মের তদন্তে গেলে কেন্দুয়ার ইউএনও-র নেতৃত্বে সাংবাদিককে মারধর-দাবি সাংবাকিদের

সজল আহমেদ: কেন্দুয়া প্রতিনিধি

কেন্দুয়া উপজলো ৪ নং গড়াডোবা ইউনয়িনরে কাঞ্চন মিয়ার বাড়ি হইতে কান্দাবাড়ী র্পযন্ত রাস্তা সংস্কার” প্রকল্পরে বরাদ্দ ৩ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা এবং “ঝাইরকোণা পশ্চিম মাথা থকেে সাতারখালী ব্রীজ র্পযন্ত ২ লক্ষ টাকার দুইটা প্রকল্পরে মোট ৫ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা বরাদ্দের মধ্যে ৩ লক্ষ টাকার বেশি টাকা আত্মসাৎ করে কেন্দুয়া উপজলোর নির্বার্হ ী র্কমর্কতা ইমদাদুল হক তালুকদার, সাবেক পিআইও আজিজুর রহমান ,প্রশাসক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান , সাবেক সচিব আনোয়ার হোসনে ও প্রকল্পরে সভাপতি ফারুক মিয়া।

এছাড়াও দুর্নীতি দমন কমশিন ও বিভাগীয় কমিশনার বরাবর অভিযোগের ভিত্তিতে নেত্রকোণা পাবলকি হলে দুদকের গণশুনানিতে কেন্দুয়া উপজলোর সাবকে পি আইও আজজিুর রহমান কে কারন র্দশানোর আদেশদানে সেই সাথে জেলা প্রশাসনকে এর তদন্তরে নির্দেশ প্রদান করেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। বলাই শিমুল ইউনিয়নে কচন্দরা খালের মাঠে মাটি ভরাট বাবদ বরাদ্দ ৩০ লক্ষ টাকার মধ্যে কাজ না করেও ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন অভিযুক্তরা।

অভিযোগের উপর ভিত্তি করে সরেজমিনে তদন্তের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব সুখময় বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল ঘটনার দিন কেন্দুয়া উপজেলা গড়াডোবা ইউনিয়নে যান। অভিযোগকারীদেরকে ও অভিযুক্তদেরকে শুনানির জন্য নিজ কার্যালয়ে ডাকে এবং শুনানি শেষে সরেজমিনে তদন্তের জন্য সাংবাদিকদের ডাকানো হয়। এবং সেখানেই ইউএনওর নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগীরাসহ কিছু বিএনপির নেতাকর্মীসহ অভিযোগকারী সাংবাদিক মহিউদ্দিনকে মেরে ফেলার লক্ষ্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই আক্রমণ করেন।

দূর্নীতির বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পায়। এ দিকে এলাকা বাসি সূত্রে জানা যায় অভিযুক্তরা আওয়ামিলীগ এর আমলেও দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিল এখনও তারা নব্য বিএনপির দালালদের বিশেষ সুবিধা দিয়ে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে যাচ্ছে। এ দিকে সুশীল সাংবাদিক সমাজ প্রশ্ন তুলেন যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর সামনে সাংবাদিকের উপর কি ভাবে হামলা হয়? এবং এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা না নিয়ে কিভাবে নীরব থাকে? এতে স্পষ্ট যে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করায় প্রশাসনও এতে জড়িত এ বিষয়ে সুশিল সমাজ এর তীব্র নিন্দা জানান। সাংবাদিক তানজিলা শাহ মুঠো ফোন ছিননতাই করে নিয়ে যায়। এবং সাংবাদিকদের সব কিছু ছিনিয়ে নিয়ে যায়, এবং এঘটনার পর সাংবাদিক মহিউদ্দিন তালুকদারকে নেত্রকোণা সদর হাসপাতাল হতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্হায় আছেন।

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *