প্রবীণ নবীণের নেত্রকোণা-৪ আসনে কে এগিয়ে-
নেত্রকোনা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) -জেলার হাওড়াঞ্চলের তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনটির রাজনীতি এখন একচ্ছত্রভাবে বিএনপির দখলে। বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মমিনের এই ভোটদুর্গে হানা দিয়ে এক সময় একক অধিপতি হয়ে উঠেছিলেন বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক, স্থানীয় উন্নয়ন ও বহু বেকার যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে ভোটারদের মন জয় করেছিলেন তিনি। কিন্তু ওয়ান ইলেভেনের প্রেক্ষাপটে গ্রেপ্তারের পর আসনটি আবার আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। রাজনীতিতে অনেকটা কোণঠাসা হয়ে পড়েন বাবর।
পরবর্তীতে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে একবার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবং আরেকবার তার স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী বিএনপির টিকিটে প্রার্থী হলেও ভাগ্যে আসনটি ধরা দেয়নি ধরা দেয়নি। কিন্তু জুলাই বিপ্লবের পরবর্তী প্রেক্ষাপটে কারামুক্ত হয়ে আবারও সদর্পে ফিরেছেন লুৎফুজ্জামান বাবর। দলের নেতাকর্মীরাও আশাবাদী তাকে নিয়ে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় জোর গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
বাবর। জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক আল হেলাল তালুকদার। এনসিপি থেকে প্রার্থী হতে পারেন মোহনগঞ্জ উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী রফিকুল ইসলাম শুভ। তারুণ্যনির্ভর দলটির স্থানীয় রাজনীতিতে তিনি বেশ সক্রিয়। রফিকুল ইসলাম শুভকে এ অঞ্চলে ধরা হচ্ছে লুৎফুজ্জামান বাবরের ৯১ সালের প্রতিচ্ছবি হিসেবে। এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মধ্যে এতটাই প্রভাব ফেলতে পেরেছেন যে, অনেকেই ধরে নিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের সঙ্গে যদি কেউ প্রতিযোগিতায় আসতে পারে সেটি এনসিপির মোহনগঞ্জ উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী রফিকুল ইসলাম শুভ।

