মতামত

পিনাকি ভট্টাচার্য কেন অস্থির হয়ে পড়েছেন?

পিনাকির বিদ্যাবুদ্ধি অন্য যেকোনো মানুষের চাইতে বেশি । অসাধারণ সব বিশ্লেষণ করেন। রিসার্চ গুরু টাইপ মানুষ। কিন্তু নিজের প্রাধান্য না পাইলে তিনি লঙ্কাকাণ্ড ঘটিয়ে ফেলতে পারেন। এবং অসহিষ্ণু, এই অভ্যুত্থানে পিনাকীর স্থান অন্য উচ্চতায়। বুদ্ধিবৃত্তিক ভাবে এই অভ্যুত্থানে জনমত গঠনে তার মহান ভূমিকা আছে/ছিল (৫ জুলাই থেকে নয় গত ৫ বছরের পর্যবেক্ষণ) যদিও ৭ জুলাই শিক্ষার্থীদের বাংলা ব্লকেডকে ভারতীয়দের কাজ বলে গণ করেন এবং পরবর্তীতে ১৭ জুলাই থেকে অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু ইউনূস সরকার কোনো এক রহস্যময় কারণে তাঁকে মূল্যায়ন করতে চান না। কেন এই বৈরিতা তা আল্লাহ মালুম!

ফলে পিনাকী ভট্টাচার্য এখন চোখে লাল কাপড় বাঁধা ষাঁড়ের মতো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অপমানিত হওয়ার অনুভূতি তাকে পেয়ে বসেছে। সে নিজেকে প্রতারিত ভাবছে।

এ কারণে অনলাইনে সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাচ্ছে। যা একটা ভুল পদক্ষেপ মনে হচ্ছে। তার প্রচারণায় সরকার টলে যাবে এমনটা নয়, কিন্তু এদের দূরত্ব লাগব হওয়া উচিত। না হলে এই লোক প্রফেসর ইউনূসের সরকারের অজনপ্রিয় হওয়াকে ত্বরান্বিত করবে। ব্যাপারটা পিনাকী এবং ইউনুস ২ পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর এবং অশোভন।

বিঃদ্রঃ পিনাকী ভট্টাচার্যের উপদেষ্টা হওয়ার সব রকম যোগ্যতাই আছে কিন্তু প্রচণ্ড পরিমাণের একগুয়েও। তাকে পরিষদে নিলে সে নানা কাহিনির জন্ম দিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে ফেলবে দ্রুত। সরকার ইউটিউব চ্যানেল না বা এই সরকার বিপ্লবী ফিদেল কাস্ত্রোর সরকারও নয়। পিনাকীকে নর্মসগুলো মেনে চলার আগ্রহী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করা উচিত। তাহলে তাঁকে নিয়ে হয়তো সরকার ভাববে। তবে এই লোক ঝামেলা করে হলেও সরকারে নিজের হিস্যা বুঝে নিতে চাইবে। নাহলে সে লংকা পুড়িয়ে দিবে।

আবদুল কাইয়ুম রিগান

Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *