সর্বশেষ

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর চাকরি প্রস্তুতির ‘ব্যবহারিক’ অংশ

যেভাবে নেয়া হয় কম্পিউটার ব্যবহারিক পরীক্ষা

সরকারি তৃতীয় শ্রেণির চাকরির ব্যবহারিক পরীক্ষায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র টাইপিং গতি দেখা হয়। পাশাপাশি মাইক্রোসফট এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, কম্পিউটার ট্রাবলশ্যুটিংয়ের ধারণাও থাকতে হয়। আর স্পেশালি যেটা টেস্ট করা হয় সেটা হলো টাইপিং স্পিড। টাইপিং স্পিড সাধারণত দুইভাবে নেয়া হয়। সফটওয়্যারের মাধ্যমে অথবা সরাসরি কোনো ওয়ার্ড ফাইল তৈরি করে সেখানে টাইপিং এর মাধ্যমে। বিভিন্ন দপ্তর বিভিন্নভাবে নিয়ে থাকে এর মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়ার্ড ফাইলের মাধ্যমে পরীক্ষাটি নিয়ে থাকে, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরে যেভাবে হবে তা এখনো নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ। তাই আমরা দুভাবেই টাইপিং টেস্ট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকব।

সফটওয়্যার এর মাধ্যমে টাইপিং গতি পরীক্ষা
সফটওয়্যারের মাধ্যমে টাইপিং গতি পরীক্ষা সাধারণত ওয়ার্ড ফাইলে টাইপিং পরীক্ষার তুলনায় কিছুটা কঠিন। কারণ এতে ভুল টাইপিং করলে তা সংশোধনের কোনো সুযোগ নাই। এমনকি আপনি যদি একটি স্পেসও বেশি দেন সেটিও ভুল হিসেবে কাউন্ট করা হয়। তাই সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরীক্ষা দেওয়ার সময় খুব সাবধানে নির্ভুলভাবে টাইপ করতে হবে।
টাইপিং গতি পরীক্ষা মূলত ৫ মিনিট বা ১০ মিনিট সময়ের হয়। এটি বিভিন্ন দপ্তরে বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। এই সময়ের মধ্যে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি ছোট রচনা আপনাাকে হুবুহু টাইপ করতে হবে। এর জন্য আপনাকে একটি হার্ডকপি দেওয়া হবে যা দেখে দেখে টাইপ করতে পারবেন অথবা মনিটরের উপরের অংশে রচনাটি দেওয়া থাকবে সেটি দেখেও টাইপ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে একটি সফটওয়্যার ওপেন করে দেওয়া হবে সেখাানে আপনার নাম ও রোল লিখে তারপর স্টার্ট বাটনে ক্লিক ককরলে আপনার সময় শুরু হবে এবং নির্দিষ্ট সময় শেষে উক্ত সফটওয়্যার সয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।

ওয়ার্ড ফাইলে টাইপিং গতি পরীক্ষা
কম্পিউটার ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়ার এটি একটি পুরাতন পদ্ধতি। ওয়ার্ড ফাইলে টাইপিং গতি পরীক্ষার ক্ষেত্রেও আপনাকে একটি প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে যাতে বাংলা ও ইংলিশ দুটি ছোট রচনা থাকবে। দপ্তরভেবেদে টেস্ট নেওয়া হয় ৫ মিনিট বা ১০ মিনিট। ৫ মিনিট বলতে ৫ মিনিট ইংলিশ ও ৫ মিনিট বাংলা টাইপ করতে হবে। এসময় পরীক্ষকগণ শুরু করতে বললেই লেখা শুরু এবং বন্ধ করতে বললেই লেখা বন্ধ করতে হবে। ১০ মিনিটের ক্ষেত্র একই, এক্ষেত্রে শুধু বাংলা ১০ মিনিট ও ইংরেজি ১০ মিনিট মোট ২০ মিনিট টাইপ করতে হয়। তবে প্রশ্নপত্রের শব্দগুলো একেবারে সহজ থাকে না। যুক্তবর্ণসহ প্রায় সকল প্রকার বানান রীতির শব্দ থাকে।
এক্ষেত্রে পরীক্ষকগণ আপনাকে নির্দেশনা দিয়ে দিবে। আপনাকে প্রথমে ডেস্কস্টপের উপর একটি ওয়ার্ডফাইল খুলতে হবে এবং ওয়ার্ডফাইলটির নাম দিতে হবে আপনার রোল নাম্বার। মনে রাখবেন ফোল্ডাার নয় ফাইল। যদি কোনো দপ্তর ফোল্ডার খুলতে বলে তবে তা করতে হবে। কিন্তু সাধারণত কোথাও বলেনা। এরপর ফাইলটি ওপেন করে রেডি হয়ে বসে থাকতে হবে। পরীক্ষকগণ টাইপ শুরু করতে বললেই প্রথমে নাম, পদের নাম ও রোল নম্বর লিখতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এটি মূল সময়ের সাথে যুক্ত। অর্থাৎ এর জন্য আলাদা সময় দেওয়া হবে না। খুব কমক্ষেত্রে ওরা আগে লিখে রাখতে বলে। তবে এটি আশা না করাই ভালো।
এবার প্রশ্ন অনুযায়ী টাইপ শুরু করতে হবে। এখানে আগে বাংলা টাইপ করবেন নাকি আগে ইংলিশ সেটা আপনার ব্যাপার। কোনো সমস্যা নাই তবে সময় শেষ হলেই লেখা বন্ধ করতে হবে। মনে রাখবেন বাংলা ইংলিশ মিলিয়ে কিন্তু সময় নয়। বাংলার জন্য আলাদা, ইংলিশের জন্যও আলাদা টাইম।

ব্যবহারিক পরীক্ষায় পাশ করার জন্য যা করবেন।
কম্পিউটারের ব্যবহারিক পরীক্ষা বা টাইপিং গতি পরীক্ষায় পাশ করতে হলে দ্রæত ও নির্ভুল টাইপ করতে হবে। আপনি নির্ধারিত সময়ে যা টাইপ করলেন তা যেন মিনিটে চাওয়া সময়ের চেয়ে বেশি শব্দ হয়। লেখার সময় যে শব্দটি লিখছেন সেটিতে কোনো একটি ভুল শব্দ চাপ পড়লে সাথে সাথে মুছে কারেক্ট করতে পারবেন। কিন্তু দুটো তিনটি শব্দের পেছনে যেটি টাইপ করা হয়ে গেছে সেটি ভুল থাকলে সংশোধন করতে পারবেন না। যদি পরীক্ষকগণ দেখতে না পায় তবে করতেই পারেন। অনেক ক্ষেত্রে ওনারা নিষেধ করে থাকেন। তবে সফটওয়্যার এর ক্ষেত্রে আপনি কোনো ভুল সংশোধনের সুযোগ পাবেন না। তাই সবসময় খেয়াল রাখতে হবে যেন বানান সঠিক হয়। ৫% এর বেশি বানান ভুল থাকলে যত বেশিই টাইপ করুন না কেন ফেল হবে। তাই অতিরিক্ত তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে ভুল না করে কিছুটা ধীরে সঠিকভাবে টাইপ করার চেষ্টা করতে হবে। এর জন্য আপনাকে আগে থেকে প্রচুর টাইপিং চর্চা করতে হবে। চর্চা করার সময় অবশ্যই বিজয়ের সঙ্গে সঙ্গে ইউনিকোড-এ লেখার অভ্যাস করতে হবে। কারণ বাংলা লেখার ক্ষেত্রে বর্তমানে আপনাকে দুটির ব্যবহারই জানতে হবে।

কম্পিউটারে দ্রæত টাইপিং করার কৌশল
কম্পিউটারে টাইপ করার কিছু নিয়ম আছে। সেই নিয়ম মেনে টাইপিং করলে দ্রæত টাইপিং সম্ভব। সংক্ষেপে যদি দ্রæত টাইপ করার ‘গোপন রহস্য’ প্রকাশ করতে বলা হয়, তবে মনে রাখতে হবে যে এর জন্য আসলে তেমন কোনো সংক্ষিপ্ত পথ নেই। তবে কিছু পথ আছে, যার মাধ্যমে টাইপ করার দক্ষতাকে নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে বাড়িয়ে নেওয়া যায়। হাতের ১০ আঙুল ব্যবহার করে কি-বোর্ড না দেখে মনিটরে তাকিয়ে টাইপ করার কৌশলকে বলা হয় টাচ টাইপিং। যা রপ্ত করতে পারলেই আপনিও হয়ে উঠবেন একজন দক্ষ টাইপার।
টাইপিংয়ের গতি বাড়ানোর প্রধান শর্ত- কোনো আঙুল দিয়ে কোনো অক্ষর লিখবেন, তা জানা। কি-বোর্ডের ওপর ঠিকমতো হাত না রাখার ফলে দ্রæত টাইপ করা যায় না। ভুলভাবে কি-বোর্ডের ওপর হাত রাখার ভুলটিই বেশি দেখা যায়। তাই কি-বোর্ডে আঙুল রাখার নিয়মটি মনে রাখতে পারেন। আপনি যদি প্রতিটি অক্ষরের জন্য এক বা একাধিক আঙুল ব্যবহার করেন, তবে টাইপ করতে দেরি হবে। আর তাই কি-বোর্ডে হাত দুটো এমনভাবে রাখতে হবে যেন আপনার দুই বৃদ্ধাঙ্গুলি স্পেস বারের ঠিক মাঝে থাকে। এরপর কি-বোর্ড অক্ষর যেখান থেকে শুরু হয়েছে, সেগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করতে হবে। প্রথমে কিউ Q) থেকে সারি, দ্বিতীয় এ G (A) থেকে সারি এবং তৃতীয় জেড (Z) থেকে সারি। (পরের পর্বে দেখুন)

বিস্তারিতের জন্য একটা অনলাইনে হলেও কোর্স করে নিতে পারেন। আর ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে সৃষ্টপদগুলোর জন্য গবেষণা করেন, আমাদের দেশে হাতে গোনা কয়েকজনের মধ্যে একজন শুভ্র মোহাম্মদ স্যার। পেইজ লিংক: https://shorturl.at/BPH6l


টাইপিং গতি কত হলে পাশ করবেন?
কম্পিউটার টাইপিং পরীক্ষায় পাস করতে কত শব্দ লাগবে তা মূলত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকে। আমাদের দেশে সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সাধারণত মিনিটে থেকে ৩০ শব্দের গতি হলেই চলে। তবে প্রফেশনাল মানের কাজের ক্ষেত্রে আপনার টাইপিং গতি মিনিটে ৪০ শব্দের বেশি হতে হবে। এখন ধরুন চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে চাওয়া হয়েছে মিনিটে ২৫ শব্দ তাহলে ৫৬ মিনিটে ১২৫ আর ১০ মিনিট থাকলে ২৫০ শব্দ হবে। এখন পরীক্ষকগণ চেক করার সময় অটো সফটওয়ারে কাউন্ট হয়ে যায় যে কতগুলো শব্দ টাইপ করেছেন। কাজেই ৫ মিনিটে ১২৫ ও ১০ মিনিটে ২৫০ শব্দের বেশি পেলেই তারা পাশের খাতায় রেখে দেয়।

আমাদের জানামতে যিনি পড়াতে রাজি হলে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর চাকরি প্রস্তুতির সফলতা ৭০ভাগ। লিংক: https://www.facebook.com/rofiqulislamvlog

অফিস সহকারী-কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক কম্পিউটারের কি কি দক্ষতা থাকতে হবে তার নমুনা ভিডিও:

প্রশ্নপত্র কেমন ও কি পড়বেন?

পেশকারিএর কাজ কী? রেকর্ড িকিপার খারিশ সহকারী কাজ কী যাঁচ মোহরার কাজ কি কপিস্ট কাম বেঞ্চ সহকারী কাজ কি চেইনম্যান-এর কাজ কি অফিস সহায়ক সাঁটলিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর সার্ভেয়ার ট্রাভার্স সার্ভেয়ার কম্পিউটর ড্রাফটসম্যান কাম এরিয়া এস্টিমেটর কাম সিট কিপার ড্রাইভার নাজির কাম ক্যাশিয়ার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *